প্রচ্ছদ

যুবলীগ নেতা লিটন এর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি

Eurobanglanews24.com

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

বর্তমান আওয়ামীলীগের ক্ষমতায় এমন অনেক নেতাকর্মী আছেন, যারা নিজ দলের অভ্যন্তরের অনুপ্রবেশকারীদের অপরাজনীতি এবং ষড়ষন্ত্রের স্বীকার। তেমনই একজন মুজিব সৈনিকের নাম সরোয়ার কামাল লিটন,

যিনি সম্প্রতি মিথ্যা অস্ত্র এবং মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন।সরোয়ার কামাল লিটন দীর্ঘদিন যাবত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।১৯৯৮ সালে শহীদ আলী মর্তূজার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে শিবির মুক্ত করতে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন লিটন সহ ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।পরবর্তীতে আলী মুর্তজাকে দিতে হয়েছিল প্রাণ।আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যদি শিবির মুক্ত হয় তাহলে বলতে হবে দুঃসময়ের এসকল নেতাকর্মীর অবদানই সবচাইতে বেশি, কিন্তু বর্তমানে তারাই সবচাইতে বেশি জেল জুলুমের শিকার।জামায়াতের ষড়যন্ত্রের স্বীকার হওয়ার পর তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা মরহুম ওসি মাহফুজের পরামর্শে লিটন আত্নীয় স্বজনদের সহায়তায় পাড়ি দেয় আরব আমিরাতে।।সেখানে কয়েক বছর প্রবাসে থাকেন তিনি। তারপর দেশে ফিরে আসেন ২০০৭-৮ এর দিকে। শুরু করেন যুবলীগের রাজনীতি। ২০১৫ সালের দিকে হাটহাজারী চিকনদন্ডী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। সবসময়ই ছিলেন গরীব মানুষের বিপদের বন্ধু।ছিলেন এলাকার সমাজ শৃঙ্খল সর্দার কমিটির সদস্য।এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এলাকায় ছোট বাচ্চাদের আরবী শিক্ষা দেওয়ার জন্য নুরানি মাদ্রাসা স্থাপন করা হয় সেটিতে ছিলেন উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ছিলেন ।এলাকায় মাদকব্যবসায়ী প্রতিরোধ কমিটিতে সরোয়ার কামাল লিটন ভাইয়ের ভূমিকা ছিলো অপরিসীম।কিন্তু সমাজের ভালো কাজ করে যাওয়াতে কিছু মানুষের খারাপ লাগাটা বেড়ে যায়।

নন্দীরহাটে পশ্চিমে বসবসাস করা জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত,অবৈধ মাটি ব্যবসায়ী মনসুর, অবৈধ ভাবে পাহাড় কেটে হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থানে জায়গা ভরাট করে, যা পরিবেশর জন্য বিরার ক্ষতিকর। পরিবেশের ক্ষতি হওয়ায় মনসুরের বিরোধিতা করেন লিটন।কিন্তু বিরোধিতা এবং নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে, ইসলামিয়া হাটের আওয়ামিলীগে অনুপ্রবেশকারী সাহাবুদ্দিনের মদদে চালিয়ে যান মাটি কাটার অবৈধ কাজ।
জানা যায় মাটি মনছুর নামে পরিচিত মনসুর অবৈধ মাটি কাটার ব্যবসার সাথে ইয়াবা ব্যবসার সাথেও সম্পৃক্ত।তার মোবাইলে একাধিকর পাওয়া গিয়েছিল আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী কিছু ভিডিও সাথে ছিলো পুলিশকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে তৈরি ভিডিও এবং জামায়াতের কিছু গুজব ছড়ানোর ভিডিও।

লিটনের শত্রুতার পাল্লা ভারি করতে মনসুরের সাথে যুক্ত হলেন সাবেক কাউন্সিলর এবং বর্তমানে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী তৌফিক।
বিদ্রোহী প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারনায় কাজ করতে না চাওয়ায় মনোমালিন্য রুপ নেয় শত্রুতায়।
সে শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যে নাটক সাজিয়ে, উপর মহলে অন্যায্য তদবীর করে,প্রচুর অর্থ ব্যায়ে এবং র্যাবের অসাধু কিছু কর্মকর্তার সহায়তায় সাজানো ষড়ষন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসাতে সরোয়ার কামাল লিটনকে নিয়ে যাওয়া হয় আমানবাজার এলাকায়।
সরোয়ার কামাল লিটনের ছোটভাই, সোহানের সাথে এক সাক্ষাতকারে জানা যায়,
লিটন আমানবাজার যাওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যে ডিবি পুলিশের অসাধু এক কর্মকর্তা ব্যাগে অস্ত্র ও ইয়াবা নিয়ে মুন্সির অফিসে আসেন এবং লিটন সামনে রাখেন।
লিটন ষড়ষন্ত্রের আঁচ করতে পেরে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন, এবং পরবর্তিতে র্যাবের বেআইনি আঘাতের ফলে বেহুশ অবস্থায় শুধুমাত্র সরোয়ার কামালকে অস্ত্র এবং মাদক বহনকারী দেখিয়ে গ্রেফতার করে র্যাবের অসাধু কর্মকর্তারা।
লিটনের ছোটভাই সোহান ঘটনার সুষ্টু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার, অসাধু র্যাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থাগ্রহন সহ সরোয়ার কামালের মত ত্যাগি ও পরিশ্রমী যুবলীগ নেতার নিঃশর্ত মুক্তির জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

বিনোদন

আর্কাইভ

June 2020
M T W T F S S
« May    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930