প্রচ্ছদ

কিছুই আসে–যায় না প্রিয়াঙ্কার

Eurobanglanews24.com

২০১৮ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিন থেকে শুরু হয়েছিল প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আর নিক জোনাসের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। তার আগে থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এই জুটিকে নিয়ে লেখা হয়েছে দিস্তার পর দিস্তা। ১০ বছরের ছোট মার্কিন পপ তারকা নিক জোনাসকে বিয়ে করার ‘অপরাধে’ অনেক দুয়োধ্বনি শুনতে হয়েছে সাবেক এই বিশ্বসুন্দরীকে। এবার সেসবের জবাব দিলেন তিনি।

 

ই টাইমসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে বয়সের এই বিতর্ক নিয়ে আবারও জিজ্ঞেস করা হয়। তখন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া ৩৭ বছর বয়সী এই ভারতীয় অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাদের বয়সের পার্থক্য নিয়ে কে কী বলল, তাতে আমার কিছুই আসে–যায় না। মিডিয়া ট্রলকারীদের অনেকে গুরুত্ব দেয়। সেসব নিয়ে আমাদের ভাবার কোনো কারণ নেই, অবকাশও নেই। ১৫০ জন কী মন্তব্য করল, তার ওপর ভিত্তি করে তো আমি আমার জীবনের সিদ্ধান্ত নেব না।’

 

শুধু তা-ই নয়, প্রিয়াঙ্কা বিনোদন সাংবাদিকদেরও একহাত নেন। বললেন, ‘ট্রলকারী, সমালোচকেরা একজন মেগাস্টারের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কী বলল, সেটাকে গুরুত্ব দিয়ে যাঁরা রিপোর্ট করেন, তাঁরা “লেজি জার্নালিস্ট”।’

 

এত জায়গা থাকতে বিয়ের অনুষ্ঠান কেন রাজস্থানের যোধপুরে করলেন? জবাবে ‘কোয়ান্টিকো’ সিরিজের এই তারকা বলেন, ‘রাজস্থানের ইতিহাস আমাকে মুগ্ধ করে। ভারতের এই শহর কেবল উপমহাদেশের ঐতিহাসিক রাজকীয়তাকে ধারণ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমার বন্ধুরা ভারতে পা রেখে প্রথমেই যেতে চায় রাজস্থান। তাই বিয়ের জন্য রাজস্থান ছাড়া অন্য কোনো জায়গা আমার মাথায় আসেনি।’

 

পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত প্রিয়াঙ্কা আরও যোগ করেন, ‘বিয়ের জন্য রাজস্থানে নামার পর থেকে সব অনুষ্ঠান শেষ করে রাজস্থান ত্যাগ করা পর্যন্ত সবকিছু ছিল একদম পারফেক্ট। চমৎকার আবহাওয়া। বিয়ের খাবারও দুর্দান্ত ছিল। আর রাজস্থানের আতিথেয়তার সঙ্গে অন্য কারও তুলনা চলে না। এ জন্যই রাজস্থান থেকে ফিরে গিয়ে মানুষ বদলে যায়।’

 

১১ অক্টোবর মুক্তি পাবে সোনালি বোস পরিচালিত, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত ‘দ্য স্কাই ইজ পিঙ্ক’। বিয়ের চার দিন আগেও এই ছবির শুটিং করেছেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁর ভাষায়, ‘নিককে হ্যাঁ বলার আগে এই ছবিকে হ্যাঁ বলেছিলাম। তাই এই ছবি ছিল আমার প্রথম অগ্রাধিকার। এমন সময়ে বিয়ে করেছি, যাতে ছবির শিডিউলের কোনো ক্ষতি না হয়।’ আর এই ছবি নাকি প্রিয়াঙ্কাকে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে। জীবনের যে কোনো বড় ক্ষতিকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখতে শিখিয়েছে।