প্রচ্ছদ

ফিরতেও অতিরিক্ত ভাড়া

Eurobanglanews24.com

ঈদের পর রাজধানীতে ফেরার সময়ও অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে বাসযাত্রীদের। সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান বাস টার্মিনালে ফিরে আসা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

 

বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, সাকুরা, হানিফ,এস আলম, সৌদিয়া, সুগন্ধাসহ বিভিন্ন পরিবহনের বাস যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এসেছে। কোনো বাসে আসন খালি ছিল না।

 

রায়েরবাগের বাসিন্দা মামুনুর রশিদ রাইজিংবিডিকে বলেন, মা-বাবার সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে ফরিদপুর থেকে গোল্ডেন পরিবহনের বাসে ঢাকায় ফিরেছি। মাওয়াঘাটে যানজট ছিল। প্রচন্ড গরমে মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ভোর ৫টায় বাস ছাড়া কথা থাকলেও ৭টায় ছেড়েছে। ৪০০ টাকার ভাড়া ৮০০ টাকা নিয়েছে বাস কর্মচারীরা।

 

দয়াগঞ্জের  বাসিন্দা আমিমুল ইসলাম জানান, শনিবার অফিস করতে হবে তাই আজ (শুক্রবার) চলে এসেছেন। যাওয়ার সময় দ্বিগুণ দামে টিকিট কিনতে হয়েছে। ফেরার সময়ও দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হয়েছে।

 

এম আব্দুল্লা  নামের আরেক যাত্রী বলেন,‘সার্বিক পরিবহনের বাসে মাদারীপুরের মোস্তফাপুর থেকে সায়েদাবাদের ভাড়া ৪০০ টাকা হলেও তাকে ৮০০ টাকা গুনতে হয়েছে।’

 

সার্বিক পরিবহনের কাউন্টারের টিকিট মাস্টার নুরুল আমিনে যাত্রীদের অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘ঢাকায় যাত্রী নামিয়ে খালি গাড়ি চালিয়ে যেতে হয়। এ ছাড়া রাস্তায় যানজট রয়েছে। এ কারণে কিছু বাড়তি ভাড়া নিতে হচ্ছে।’

 

রাজধানীর গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, স্বাধীন, গাংচিল, আরাম, নগর, আজমীরিসহ বিভিন্ন পরিবহনের বাস বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় আসছে। একটি বাসেও আসন খালি নেই। এখানেও যাত্রীদের অভিযোগ তাদেরকে জিম্মি করে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছে পরিবহন শ্রমিকরা।

 

পল্টনের বাসিন্দা আবুল বাশার বলেন, ‘নড়াইল থেকে মাওয়া এসেছি মাইক্রোবাসে। মাওয়া ঘাটে আসার পর গুলিস্তানের ভাড়া ৭০ টাকা হলেও এখন যাত্রী বেড়ে যাওয়ায় ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।’

আর্কাইভ

সেপ্টেম্বর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০