প্রচ্ছদ

জঙ্গি নির্যাতনে স্বামী, সন্তান এমনকি সতীত্ব হারিয়েছেন এসব নারীরা

Eurobanglanews24.com

ফাতেমা আমিনের জীবন মুহূর্তেই তছনছ হয়ে যায়। যখন তার স্বামীকে আইসিস জঙ্গিরা হত্যা করে। ছয় সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন এই নারী। সিরিয়ান এই নারী চোখের জলকে সঙ্গী করে ২০১৫ সাল থেকে একাই ছয় সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে বসবাস করছেন জিনওয়ার গ্রামে।

 

 

প্রতিনিয়তই এসব নারীরা আইসিস জঙ্গি দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছে

 

শুধু ফাতেমা নন জিনওয়ার গ্রামের প্রত্যেক নারীর জীবনে রয়েছে এক একটি মর্মান্তিক ঘটনা। কেউ আইসিস জঙ্গিদের হাতে দীর্ঘদিন যৌনদাসী হয়ে বর্বরোচিত অত্যাচারের মুখোমুখি হয়েছেন। কারও স্বামীকে খুন করা হয়েছে। কেউ বা জঙ্গি হামলায় সন্তান-স্বামী হারিয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়েছেন। কেউবা দিনের পর দিন ধর্ষণ হয়ে সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন।

 

 

 

 

নিজেরাই চাষাবাদ করছেন তারা

 

জীবনের ঘটনা যাই হোক না কেন পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এক সরলরেখায় তারা যে অত্যাচারিত এবং অবহেলিত, তা নির্দ্বিধায় বলছেন ওই গ্রামের মহিলারা। পুরুষ কর্তৃক নানাভাবে নির্যাতিত নারীরা গড়ে তুলেছেন জিনওয়ার গ্রাম। কুর্দিশ ভাষায় এর অর্থ হলো ওমেন্স ল্যান্ড। এই গ্রামটি নারী ও শিশুবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলেছেন শত কষ্ট বুকে থাকা এসব সাহসী নারীরা।

 

 

ঘর নির্মাণে ব্যস্ত নারীরা

 

তাইতো পুরুষের প্রবেশ নিষেধ এই গ্রামে। সেখানকার বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সী জয়নব গাবারী এক গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমাদের জীবনে কোনো পুরুষের প্রয়োজন নেই। আমরা বেশ ভাল আছি। যেসব নারীরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান, তাঁদের জন্য এটা আদর্শ জায়গা।’

 

 

সব কাজেই পারদর্শী এসব নারীরা

 

নিশ্চিন্তে এই গ্রামে জীবন কাটাচ্ছেন তারা। জিনওয়ার গ্রামটা পার হলেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া। আইসিস জঙ্গিদের কালো পতাকা আর মুহূর্মুহু গ্রেনেডের হুঙ্কারে কার্যত জনপদ শূন্য। এর মধ্যেই নিজেদেরকে নিজেরা নিরাপত্তা দিয়ে তৈরি হয়েছে সুরক্ষিত গ্রাম। উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার কুর্দিশ এলাকায় এই জিনওয়ার গ্রামে সব বাসিন্দাই নারী।

আর্কাইভ

সেপ্টেম্বর ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০