প্রচ্ছদ

ভোগান্তির অপর নাম কমলাপুর স্টেশন

Eurobanglanews24.com

ভোগান্তির অপর নাম এখন কমলাপুর স্টেশন। ঈদের আগের দিন রোববার সকালে কোনো ট্রেনই সিডিউল অনুযায়ী ছেড়ে যায়নি। যাত্রীদের ঘন্টার পর ঘন্টা স্টেশনে অপেক্ষায় থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

 

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘শুক্রবার বঙ্গবন্ধু সেতুতে একটি ট্রেনের দুর্ঘটনার জন্য ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল, যার প্রভাব মোটামুটি সব ট্রেনেই পড়েছে।

 

এছাড়া ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী উঠছেন। তাদের ওঠা ও নামায় অতিরিক্ত সময় প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ট্রেনগুলোকে। এ কারণে ট্রেন ছাড়তে দেরি হচ্ছে।’

 

রোববার দেখা গেছে, প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে মানুষ আর মানুষ। সিডিউল বিপর্যয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে তাদের। প্রিয়জনদের পাশে থাকতে পারবেন কিনা সেই আশঙ্কার ছাপ সবার চোখে মুখে ফুটে উঠেছে।

 

রাজশাহী যাওয়ার জন্য পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন।  তিনি বলেন, ধূমকেতু ট্রেনটি সকাল ৬টায় আসার কথা। এ কারণে আগেই স্টেশনে আসি। ৪ ঘন্টা হয়ে গেল ট্রেন আসেনি।’

 

ঘন্টার পর স্টেশনে থাকতে গিয়ে নারী ও শিশুরা পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। প্ল্যাটফর্ম লোকে লোকারণ্য হওয়ায় একটু বিশ্রামের জায়গাও নেই। নেই ঠিকমতো খাবারের ব্যবস্থা। সঙ্গে যোগ হয়েছে টয়লেটের সমস্যা।

 

স্টেশনের ডিজিটাল মনিটরে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি রোববার বেলা১১ টা পর্যন্ত আসেনি। সাড়ে সাত ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করে ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে।

 

সুন্দরবনের এক্সপ্রেস দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে  যাওয়ার কথা রয়েছে। একই অবস্থা ঢাকা-রাজশাহী রুটের ধূমকেতু এক্সপ্রেসের। সকাল ৬টায় কমলাপুর ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও এখনো রাজশাহী থেকেই যাত্রা করেনি ট্রেনটি। একইভাবে অন্য ট্রেনগুলো ১০ থেকে ১২ ঘন্টা দেরিতে আসবে বা ছেড়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এদিকে, অতি বিলম্বের কারণে লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের সকাল সোয়া ৯টার যাত্রা বাতিল হয়। ফেরত দেয়া হচ্ছে টিকিটের মূল্য।

 

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১