প্রচ্ছদ

অবাক হবেন, কোকাকোলার আসল রহস্য জানলে!

Eurobanglanews24.com

কোমল পানীয় হিসেবে কোকাকোলার জনপ্রিয়তা সারা দেশ জুড়ে। কিন্তু জানেন কি, এই পানীয়টি যা আপনার প্রাণ জুড়ায় তা আসলে একটি ঔষধ! প্রথমে কোকাকোলার উৎপত্তি হয়েছিলো একটি ওষুধ হিসেবে। উনিশ শতকে জন পেম্বারটন নামক একজন রসায়নবিদ কোকাকোলার ফর্মুলা আবিস্কার করেন। ব্যাবসায় কোকাকোলাকে পরিবেশন ও বিপণন করেন ব্যবসায়ী আসা গ্রিগস ক্যান্ডেলার। তার বাজারজাতকরণ কৌশলেই বিশ শতক থেকে কোকাকোলা বিশ্বের কোমল পানীয়র বাজারে একটি প্রভাবশালী ও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চিহ্নিত।

 

কোকাকোলার আদি রেসিপি তৈরি হয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের কলম্বাসে অবস্থিত ইগল ড্রাগ এন্ড ক্যামিক্যাল কোম্পানিতে। এটি তৈরি করেছিলেন জন পেম্বারটন নামক একজন ড্রাগিস্ট। এর প্রকৃত নাম ছিলো কোকা ওয়াইন, যাকে বলা হতো ফ্রেঞ্চ ওয়াইন কোকা। তিনি সম্ভবত ইউরোপীয় ভিন মারিয়ানি নামক কোকা ওয়াইনের ব্যবসায়িক সাফল্য দেখে এরকম একটি পানীয় প্রস্তুত করতে অনুপ্রাণিত হন।

 

 

 

জন পেম্বারটন, কোকাকোলার আবিষ্কর্তা ১৮৮৬, যখন আটলান্টা ও ফুলটন কাউন্টি অ্যালকোহলিক পানীয়ের বিরুদ্ধে আইন পাস করে, তখন পেম্বারটন কোকাকোলা তৈরি শুরু করেন। এটি ছিলো মূলত ফ্রেঞ্চ ওয়াইন কোলার একটি অ্যালকোহলমুক্ত সংস্করণ। কোকাকোলার প্রথম বিক্রিটি হয় ৮ মে, ১৮৮৬ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে।

 

এটি প্রথমে বিক্রি হয়েছিলো একটি পেটেন্টভুক্ত ওষুধ হিসেবে। প্রতি গ্লাস ৫ সেন্ট দামে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এরকম বিশ্বাসের কারণে পুরো যুক্তরাষ্ট্রেই এটি যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বাজারজাতকরণের প্রথম বছরে কোকা-কোলা বিক্রয় হয়েছিল নয় গ্লাস। বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে কোমল পানীয় হিসেবে প্রতিদিন কোকা-কোলা বিক্রয় হয় প্রায় ১৬০ কোটি গ্লাস।

 

পেম্বারটন দাবি করেছিলেন যে, কোকা-কোলা অনেক রোগের প্রতিকার করে। যেমন: মরফিন আসক্তি, বদহজম বা অজীর্ণ, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, মাথাব্যথা, ধ্বজভঙ্গ প্রভৃতি। একই বছর ২৯ মে আটলান্টা জার্নাল পত্রিকায় পেম্বারটন কোকাকোলার প্রথম বিজ্ঞাপনটি দেন।

 

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১