প্রচ্ছদ

ভিক্ষুক বেশে রেলস্টেশনে খবর সংগ্রহে সাংবাদিক, প্রশংসার ঝড়

Eurobanglanews24.com

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কালোবাজারিদের দৌরাত্ম বাড়ছিল দিন দিন। স্টেশনের লোকজন ও টিকিট দালালদের যোগসাজশে চলছিল ব্লাক টিকিট বানিজ্য। এরকম অভিযোগ অহরহ। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছিলোনা প্রমান। সেই প্রমান সংগ্রহে পুরোপুরি ভিক্ষুকবেশে মাইজগাঁও স্টেশনে রাতে অবস্থান নেন সিলেটভিউর ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি ফরিদ উদ্দিন।

 

সেই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হয় পাঠকপ্রিয় সিলেটভিউ টোয়েন্টিফোর ডটকম কমে।

 

এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিক্ষুক সাজের ব্যাতিক্রমী ছবিটি প্রকাশ করে অসংখ্য পাঠক শুভাকাঙ্ক্ষী ফরিদ উদ্দিনকে সাধুবাদ জানিয়ে পোস্ট দিতে থাকেন। কেউ কেউ দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী সাংবাদিক বলে স্ট্যাটাসে লিখেন এরকম ভিন্নধর্মী বেশের সাংবাদিকতা আর শোনা যায় নি। অন্যান্যরা পোস্ট দিয়ে আহবান জানান এরকম সাংবাদিকতা চালিয়ে যেতে।

 

সাংবাদিক টিপু সুলতান তার স্ট্যাটাসে লিখেন ‘কালোবাজারিদের তথ্য উদঘাটনের কোন পথ নেই। সে ক্ষেত্রে সাংবাদিক ফরিদ উদ্দিনের বুদ্ধিদীপ্ত অনুসন্ধান প্রশংসার দাবিদার।’

 

এ পোস্টে সিনিয়র সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন পাপ্পু কমেন্ট করেন, গুড আইডিয়া, ধন্যবাদ। সাংবাদিক ফাহিম দেওয়ান ‘একজন ভিক্ষুক অথবা একজন সাংবাদিকদের গল্প’ শিরোনামে তিনি বেশ বড় লেখা পোস্ট করেছেন।

 

এডভোকেট কামরুল ইসলাম লিখেন নিচের ছবি দেখে আপনার কি মনে হচ্ছে? নিশ্চয় মনে হচ্ছে উনি একজন ভিক্ষুক কিংবা দরবেশ বাবা! না উনি ভিক্ষুকের বেশে যাওয়া একজন সাংবাদিক। যিনি রেল স্টেশনের টিকেট কালোবাজারিদের খুঁজে বের করতে নিজেকে ভিক্ষুক সাজিয়েছেন। নাম ফরিদ উদ্দিন আজমানি। সৎ সাহস সব সাংবাদিকের থাকেনা। যাদের থাকে তারা আলাদা ধাতুতে গড়া। তারা কোনো কিছুকে ভয় পায়না। তারা খবরের ভীতর খবরটা খুঁজে বের করে আনে। তেমনি একজন সৎ সাহসী সাংবাদিক ফরিদ ভাই। যিনি সত্য বলতে ও সত্য লিখতে দ্বিধা করেন না। ভয় পান না কারো চোখ রাঙানো। তাকে দেখে অনুপ্রাণিত হই। কথা শুনলে মুগ্ধ হই। তার এই কাজটা নবীন সাংবাদিকদের প্রেরণা দিবে খবরের ভীতরের খবর খুজে বের করতে।

 

এভাবেই আরো অসংখ্য লোক ফেসবুকে প্রশংসা করেন ফরিদ উদ্দিনের।

বিনোদন

আর্কাইভ

August 2020
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

বিজ্ঞাপন