প্রচ্ছদ

জেনে নিন, মশা তাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায়!

Eurobanglanews24.com

বর্ষার এই সময়ে মশার উপদ্রপ একটু বেশি বেড়ে যায়। আর এইসব মশা থেকে ছড়ায় মারাত্মক সব রোগজীবাণু। তাছাড়া এডিস মশার আক্রমণে ডেঙ্গু জ্বর হয়ে ভুগতে হয় অনেক দিন। তাই মশা তাড়াতে নানা রকম ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে হয়। কিন্তু সবসময় তা কাজেও লাগে না। আবার ঐসব ব্যবস্থা খরচ বাড়ার পাশাপাশি রাসায়নিক ওষুধের কারণে দেখা দেয় কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। তাই ঘরোয়া কিছু উপায়ে খুব সহজেই মশা দূর করতে পারেন কোনো সমস্যা ছাড়াই। চলুন জেনে নেয়া যাক উপায়গুলো-

 

লেবু ও লবঙ্গের শক্তি

মশা তাড়াতে লেবু আর লবঙ্গের অসাধারণ গুণ রয়েছে। ঘরের পরিবেশকে স্নিগ্ধ রাখার পাশাপাশি এটি মশাও তাড়িয়ে দেয় খুব সহজেই। একটি লেবু কেটে দুইভাগ করে নিন। এবার প্রতিটি ভাগে কয়েকটি লবঙ্গ গেঁথে দিন। লবঙ্গ এমনভাবে গাঁথতে হবে যেন এর মুখের দিকটা বের হয়ে থাকে। এবার ঘরের জানালায় রেখে দিলে মশা ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না। তাছাড়া ঘরের বিভিন্ন কোণা কিংবা যেসব জায়গা দিয়ে মশার আনাগোনা বেশি সেখানে এই লেবুটি রেখে দিন। দেখবেন মশা আসা বন্ধ হয়ে গেছে।

 

নিম তেল

নিম গাছ নানান ওষুধি গুণে ভরপুর। এই গাছের মশা তাড়ানোর অদ্ভুত ক্ষমতা আছে। নিম তেল এবং এর সঙ্গে সমপরিমাণ নারকেল তেল মিশিয়ে ত্বকে মেখে নিলে মশা ধারে কাছেও ঘেষবে না। এছাড়াও এটি ত্বককে সুরক্ষিত রাখবে। নিমপাতার তৈরি স্প্রেও বেশ কাজে দেয় মশা তাড়ানোর ক্ষেত্রে। পানিতে নিম পাতা সেদ্ধ করে সেই পানি স্প্রে বোতলে নিয়ে নিন। এবার ঘরের যেখানে যেখানে মশা থাকতে পারে সেখানে স্প্রে করুন। মশা দূর হতে বাধ্য। এছাড়া শুকনো নিমপাতা পোড়ালে এর গন্ধে মশা থাকতে পারে না।

 

 

 

কর্পূরের ব্যবহার

মশা তাড়ানোর ক্ষেত্রে কর্পূর অনেক বেশি কার্যকর। এর গন্ধ মশা কোনোভাবেই সহ্য করতে পারে না। এক টুকরো কর্পূর একটি ছোট বাটিতে নিয়ে তাতে পানি দিন। পানি ভর্তি বাটিটি ঘরের এক কোণে রাখুন। এরপর ঘরের দরজা জানালা সব বন্ধ করে দিন। মশা মুহূর্তেই নাই হয়ে যাবে। তবে এই পানি ২ দিনের বেশি রাখবেন না। তাছাড়া এই পানি দিয়ে ঘর মুছতে পারেন। এতে পিঁপড়ার উৎপাত থেকে বেঁচে থাকা যাবে।

 

আর্কাইভ

জুলাই ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১