প্রচ্ছদ
৮ জুলাই। ঢাকার মুগদা এলাকার রিকশাচালকদের মিছিলে আবদুল হামিদ ছিলেন বেশ বিক্ষুব্ধ। চিৎকার করে বলছিলেন, ‘সরকারের কাছে একটাই দাবি, যেভাবে রাস্তাটা...
ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির চুক্তির বিরোধিতা আগে থেকেই করে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট...

নীলফামারী জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। উজানের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে গতকাল বৃহস্পতিবার জেলায় তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আজ শুক্রবার সেখানে ৬ সেন্টিমিটার পানি কমলেও সকাল নয়টা পর্যন্ত বিপদ সীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীবেষ্টিত প্রায় ১৫টি চরাঞ্চল গ্রামের ১০ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রমতে, লালমনিরহাট জেলার দোয়ানীতে অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে গতকাল তিস্তা নদীর পানি সকাল থেকে বৃদ্ধি পেয়ে রাতে বিপদ সীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠে। আজ পানি কিছুটা কমলেও সকাল ছয়টায় বিপদ সীমার ২৪ সেন্টিমিটার এবং সকাল নয়টায় বিপদ সীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ওই পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপদ সীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। আজ সকাল নয়টায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল ৫২ দশমিক ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। পানি আরও বৃদ্ধির আশঙ্কায় অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাচ্ছেন। এদিকে অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বুড়ি তিস্তা, দেওনাই, চাড়ালকাটা, ধাইজান, খড়খড়িয়া যমুনেস্বরীসহ সব নদ–নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গতকাল সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। রাতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদ সীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। আজ সকাল নয়টায় ৬ সেন্টিমিটার কমলেও বিপদ সীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারেজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রেখে সব কর্মকর্তা–কর্মচারীকে সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দুর্বল স্থানগুলো শক্তিশালীকরণে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

বড় রাস্তার মাঝখানে ঘেরা জায়গা, সেখানে আকাশছোঁয়া যন্ত্রপাতি। ঢাকা শহরের অনেক জায়গার এটি একটি পরিচিত...

সর্বশেষ

সর্বমোট পাঠক


visitor counter

Euro Bangla Tv

Euro Bangla Radio

Facebook

আর্কাইভ

জুলাই ২০১৯
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

বিজ্ঞাপন